নিজস্ব প্রতিনিধি
এজাহার সূত্রে জানা যায়, মৃত ভিকটিম সাইদ আহমেদ সাব্বির (৩০) দীর্ঘদিন যাবৎ এলাকায় ওয়াইফাই লাইনের ব্যবসা করে আসছিলেন। গ্রেফতারকৃত আসামি সেলিমর নেতৃত্বে অন্যান্য আসামিরা ফতুল্লা এলাকায় দীর্ঘদিন যাবৎ মাদকদ্রব্য ব্যবসা করে আসছিল। সাব্বির বিভিন্ন সময় আসামীদেরকে এলাকায় মাদক ব্যবসায় প্রতিবাদ করায় আসামীরা তার প্রতি ক্ষিপ্ত ছিল এবং বিভিন্ন সময় বিভিন্ন প্রকার ভয়-ভীতি ও হুমকি প্রদান করত। গত ইং ০৪/০৩/২০২৬ তারিখ ভোর অনুমান ০৩.৪৫ ঘটিকার সময় সাব্বির নিজ বাসা হতে সেহরীর জন্য খাবার আনার জন্য শিবু মার্কেট মোড়স্থ সুমাইয়া বিরিয়ানী হাউজের উদ্দেশ্যে বাহির হয়ে আসেন। সুমাইয়া বিরিয়ানি হাউজের সামনে আসামাত্র গ্রেফতারকৃত আসামি সেলিমের নেতৃত্বে ৭/৮ সন্ত্রাসীরা ধারালো অস্ত্র দ্বারা সাব্বিরকে উপর্যপুরী কুপিয়ে গুরুত্বর রক্তাক্ত জখম করে উক্ত স্থান হতে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সাব্বিরকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য দ্রুত ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল খানপুর, নারায়ণগঞ্জ নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করেন। অবস্থা আশংকা জনক হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন।হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকাবস্থায় গত ০৬/০৩/২০২৬ তারিখ রাত্র অনুমান-১০.৩০ ঘটিকার সাব্বির মৃত্যুবরন করেন। পরবর্তীতে ঘটনাটি বিভিন্ন টিভি এবং প্রিন্ট মিডিয়ায় প্রচার হলে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে। অত্র হত্যাকাণ্ড হওয়ার পর পরই ঘটনা সাথে জড়িত আসামিদের গ্রেফতারের জন্যে র্যাব-১১ গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। এরই ধারাবাহিকতায় নিজস্ব গোয়েন্দা নজরদারি ও সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিএসসি এর একটি আভিযানিক দল অদ্য ০১/০৪/২৬ তারিখ সন্ধ্যা ৭:০০ ঘটিকার সময় ফতুল্লা থানাধীন সাইনবোর্ড এলাকা হতে অত্র মামলার এজাহারনামীয় ৬ নং আসামি সেলিম (৩৫), পিতা-বাচ্চু মিয়া, সাং-নয়ামাটি, থানা-ফতুল্লা, জেলা-নারায়ণগঞ্জকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। উল্লেখ্য যে গত ১৬/০৩/২৬ তারিখ এই মামলার ১নং আসামি সোহাগকে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড থেকে গ্রেফতার করা হয় গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রমের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।