তুচ্ছ বিরোধ থেকে প্রাণঘাতী পরিণতি—২ বছর পর হত্যা রহস্য উদ্ঘাটন

পিবিআইয়ের অভিযানে প্রধান আসামি গ্রেফতার; আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি গাজীপুরে তুচ্ছ বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘটিত একটি হত্যাকাণ্ডের রহস্য দীর্ঘ প্রায় ২ বছর ১০ মাস পর উদ্ঘাটন করেছে পুলিশের ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ ঘটনায় এজাহারনামীয় ১ নম্বর আসামি মোঃ শাওন মিয়া (৩০) কে গ্রেফতার করা হয়েছে। পিবিআই সূত্রে জানা যায়, গত ১২ এপ্রিল ২০২৬ খ্রি. তারিখ দুপুরে চট্টগ্রাম জেলার মীরসরাই থানাধীন দক্ষিণ ওয়াহেদপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে শাওন মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়। মামলার বিবরণে জানা যায়, ১৩ মে ২০২৩ খ্রি. তারিখ সন্ধ্যায় ভিকটিম মাসুদ রানা কাজের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হলে পূর্বপরিকল্পিতভাবে আসামিরা তার গতিরোধ করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে গুরুতর আহত করে। পরে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৪ মে ২০২৩ খ্রি. তারিখে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। এ ঘটনায় নিহতের ভাই বাদী হয়ে জিএমপি সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন (মামলা নং–২৯, তারিখ–২০/০৫/২০২৩ খ্রি., ধারা–৩০২/১১৪/৩৪ পেনাল কোড)। দীর্ঘদিন তদন্ত শেষে বাদীর আবেদনের প্রেক্ষিতে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের নির্দেশে মামলাটি পিবিআই, গাজীপুর জেলা তদন্তভার গ্রহণ করে। পরবর্তীতে পিবিআই তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মূল আসামিকে গ্রেফতার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে এবং আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে। তদন্তে আরও জানা যায়, ভিকটিম মাসুদ রানার কাছে আসামির ২০০ টাকা পাওনা ছিল। এই টাকা নিয়ে উভয়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। ঘটনার দিন টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে সংঘর্ষ বাধে। এ সময় ভিকটিম চাকু দিয়ে আসামির হাতে আঘাত করলে ক্ষিপ্ত হয়ে আসামি শাওন মিয়া চাকুটি কেড়ে নিয়ে তার বুকে আঘাত করে। এতে গুরুতর আহত হয়ে পরবর্তীতে তার মৃত্যু হয়। ঘটনার সাথে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে এবং মামলার তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

$post['title']

পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধে ছুরিকাঘাত, বগুড়ায় নিহত- ১

$post['title']

নেশাই যেনো ঝড়ে গেলো ৩৫ বছরের সাবুর প্রাণ