শেরপুরের শ্রীবরদীতে সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা: ‘বৈশাখী’ নয়, হলো ‘আনন্দ শোভাযাত্রা’

স্টাফ রিপোর্টার
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
 ছবি: সংগৃহীত।
ছবি: সংগৃহীত।


শেরপুর প্রতিনিধি:

সারাদেশে সরকারি নির্দেশনায় ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’র মাধ্যমে বাংলা নববর্ষ বরণ করা হলেও শেরপুরের শ্রীবরদীতে তা পালন করা হয়েছে ভিন্ন নামে। সেখানে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা‘র পরিবর্তে ‘আনন্দ শোভাযাত্রা’র ব্যানারে বাংলা বর্ষবরণ করেছে উপজেলা প্রশাসন। এমন আয়োজনে স্থানীয় পর্যায়ে প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। 

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকালে শ্রীবরদী উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স থেকে শোভাযাত্রাটি বের করা হয়। এতে প্রশাসনের কর্মকর্তা, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেয়।

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ২৯ মার্চ, ২০২৬ তারিখের জাতীয়ভাবে বাংলা নববর্ষ এবং চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, গারো ও অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন উপলক্ষ্যে কর্মসূচী নির্ধারণ সংক্রান্ত সভায় পহেলা বৈশাখ উদযাপনে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ আয়োজনের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেয়া হয়েছিলো। উদ্দেশ্য ছিল দেশজুড়ে অভিন্ন নামে বাঙালির এই উৎসবকে উদযাপন করা। কিন্তু শ্রীবরদীতে আয়োজিত শোভাযাত্রার মূল ব্যানারে স্পষ্ট অক্ষরে লেখা ছিল‘আনন্দ শোভাযাত্রা’।  

সরকারি শব্দ চয়ন এড়িয়ে কেন ভিন্ন নাম ব্যবহার করা হলো, তা নিয়ে স্থানীয় সাংস্কৃতিক কর্মী ও সচেতন মহলে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। নাম প্রকাশ না করা শর্তে স্থানীয় এক সাংস্কৃতিক সংগঠক বলেন, “সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে ‘বৈশাখী’ শব্দ বাদ দেওয়াটা  দুঃখজনক। কোনো বিশেষ পক্ষকে সন্তুষ্ট করতেই কি প্রশাসন ‘আনন্দ শোভাযাত্রা’র নাম ব্যবহার করল?”

এ বিষয়ে শ্রীবরদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মণীষা আহমেদ জানান, তিনি এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন পাননি। এছাড়া বিষয়টি খেয়াল করা হয়নি।

শোভাযাত্রাটি শ্রীবরদী পৌরশহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা কমপ্লেক্সে গিয়ে শেষ হয়।

বিষয়:

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত