নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:-
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার কুর্শি গ্রামের যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী ও বার্তা সিলেটের নির্বাহী সম্পাদক ফয়জুল ইসলাম চৌধুরী নয়ন এর চাচা বোন ঢাকা হাইকোর্টের সিনিয়র এডভোকেট হবিগঞ্জের পাইকপাড়া গ্রামের মরহুম শহীদ চৌধুরীর স্ত্রী ও কুর্শি গ্রামের মরহুম আব্দুর রহমান চৌধুরীর দ্বিতীয় কন্যা অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষিকা হবিগঞ্জ শহরের ফায়ার সার্ভিস এলাকার বাসিন্দা আয়শা খানম চৌধুরী গতকাল শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ২০২৬ ইংরেজী দুপুর ২টার দিকে ঢাকাস্থ একটি হসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সবাইকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেছেন। "ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন"। মৃতকালে তার বয়স ছিল ৪০ বছর। তিনি ২ ছেলে ও ১ মেয়ে সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। শনিবার (৪ এপ্রিল) জানাযার নামাজের পূর্বে বক্তব্য রাখেন, হাফেজ আবিদুর রহমান। সকাল ১১ ঘটিকার সময় হবিগঞ্জ শহরস্থ সুলতান মাহমুদপুর জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে উনার প্রথম জানাযার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এবং বিকাল ২টার সময় মরহুমের নিজ গ্রামের পাইকপাড়া গ্রামে দ্বিতীয় জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। নামাজের জানাযা পড়ান মরহুমের চাচাতো ভাই হাফেজ গোলাম হাসান চৌধুরী। এতে, মোনাজাত করেন, হবিগঞ্জ কৃষি ব্যাংকের (অবসর) প্রাপ্ত কর্মকর্তা হাজী মোহাম্মদ আব্দুর রহমান (রেনু)।
উক্ত জানাযার নামাজে উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা হাইকোর্টের সিনিয়র এডভোকেট শহীদ চৌধুরী,
হবিগঞ্জ কৃষি ব্যাংকের উধতন (অবসর) প্রাপ্ত কর্মকর্তা ও হবিগঞ্জ এফএক্স ক্লাব অব বাংলাদেশ হবিগঞ্জ সেন্টাল এর সভাপতি সৈয়দ গিয়াস উদ্দিন, হবিগঞ্জ বারের এডভোকেট কাজী মাজুম আহমদ, ব্রাহ্মমনবাড়িয়া কোর্টের এডভোকেট আজিমুল হক ভূইয়া, হাজী মো: আব্দুর রাজ্জাক, সুলতান মাহমুদ দক্ষিণ পাড়া জামে মসজিদ কমিটির সভাপতি হাজী আব্দুর রাজ্জাক সরদার, হাজী মো: আলা উদ্দিন, হাজী মো: রফিক মিয়া, মোহাম্মদ তফজ্জুল হুসেন চৌধুরী, সাংবাদিক বুলবুল আহমেদ, তাজুল ইসলাম, মো: রাহি মিয়া চৌধুরী, প্রকৌশলী সৈয়দ তাহফিম আহমদ অনিক, মরহুমের ভাই সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী সুমন, ছাব্বির মিয়া, রাখাস মিয়া, জুনু মিয়া, নাইম মিয়া, ইঞ্জিনিয়ার বদরুদ্দোজামান তারেক, নাবিল মিয়া সহ আরো অনেকেই।
পরে বিকাল ২টার সময় হবিগঞ্জ সদর উপজেলার নিজামপুর ইউনিয়নের পাইকাড়া চৌধুরী (নিজ বাড়ি)-তে জানাযার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এতে নামাজের জানাযায় পড়ান, হানাঘড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক স্থানীয় ইমাম হাফেজ বিলাল। উক্ত জানাযার নামাজে অংশ গ্রহণ করেন, মোঃ খালেদ, দীঘলবাক কলেজের প্রভাষক জুবায়ের আহমেদ, মো: আব্দুর রহিম সহ ধর্ম প্রাণ মুসলমান অংশ গ্রহণ করেন। পরে পারিবারিক কবরস্থানে দাপন করা হয়। মৃত্যুকালে তিনি ২ ছেলে ১ মেয়ে সহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।