শীতে রোগ প্রতিরোধে মধুর গুরুত্ব বেড়েছে, বিশেষজ্ঞরা বলছেন নিয়মিত সেবনে উপকার মিলবে
শীতের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মধুর উপকারিতা নিয়ে সচেতনতা বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। বিশেষজ্ঞদের মতে, শীতের মৌসুমে মধু শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, সর্দি-কাশি কমায় এবং গলা ব্যথা উপশমে প্রাকৃতিকভাবে কাজ করে।
পুষ্টিবিদরা জানান, মধুতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিভাইরাল উপাদান শীতকালের সংক্রমণ থেকে দেহকে রক্ষা করে। প্রতিদিন সকালে গরম পানির সঙ্গে এক চামচ মধু মিশিয়ে খেলে শরীর দ্রুত উষ্ণ হয় এবং শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের ঝুঁকি কমে।
এ ছাড়াও মধু হজম শক্তি বাড়ায়, ক্ষুধা উদ্রেক করে এবং শীতকালে দেখা দেওয়া গ্যাস্ট্রিক সমস্যাও কমাতে সাহায্য করে। অনেকেই ঠান্ডা আবহাওয়ায় ক্লান্তি ও অবসাদ অনুভব করেন—মধুর প্রাকৃতিক গ্লুকোজ শরীরে তাৎক্ষণিক শক্তি যোগায়, যা শরীরকে সক্রিয় রাখে।
ত্বক বিশেষজ্ঞরা বলেন, শীতে ত্বক শুকিয়ে যায় এবং রুক্ষতা দেখা দেয়। নিয়মিত মধু খাওয়া ও ত্বকে মধু ব্যবহার করলে উজ্জ্বলতা ফিরে আসে এবং ত্বক কোমল থাকে।
তবে বিশেষজ্ঞরা দুই বছরের কম বয়সী শিশুকে মধু না দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন, কারণ এতে সংক্রমণের ঝুঁকি থাকতে পারে।
সার্বিকভাবে স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞদের মত, শীতকালে মধু একটি প্রাকৃতিক প্রতিরোধক ও শক্তিবর্ধক খাদ্য, যা দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় রাখলে উপকার পাওয়া যায়।