জাতিসংঘ মিলেনিয়াম ফেলোশিপ পেলেন শাবিপ্রবির ২৬ শিক্ষার্থী

আশিকুর রহমান
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
ফেলোশিপ পেলেন যারা। ছবি: ক্যাম্পাস রিপোর্ট
ফেলোশিপ পেলেন যারা। ছবি: ক্যাম্পাস রিপোর্ট

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) ২৬ জন মেধাবী শিক্ষার্থী অর্জন করেছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন জাতিসংঘ মিলেনিয়াম ফেলোশিপ ২০২৫। এটি জাতিসংঘ একাডেমিক প্রভাব (ইউএনএআই) ও মিলেনিয়াম ক্যাম্পাস নেটওয়ার্ক (এমসিএন) যৌথভাবে পরিচালিত একটি নেতৃত্ব উন্নয়ন কর্মসূচি। তরুণ শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বের দক্ষতা বৃদ্ধি, সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা এবং জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে সক্রিয় ভূমিকা রাখাই এ ফেলোশিপের মূল উদ্দেশ্য।

এ বছর বিশ্বের ৭ হাজার ৫০০-এরও বেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৬০ হাজার শিক্ষার্থী ফেলোশিপের জন্য আবেদন করেছিলেন। এর মধ্যে মাত্র ৪০টি দেশের ২৯০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৪ হাজার শিক্ষার্থী চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হন, যা মোট আবেদনকারীর মাত্র ৪ শতাংশ। এই কঠিন প্রতিযোগিতায় শাবিপ্রবির ২৬ শিক্ষার্থী জায়গা করে নেওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়টি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল।

জাতিসংঘ মিলেনিয়াম ফেলোশিপ প্রাপ্ত'রা হলেন, ইংরেজি বিভাগ থেকে পূর্ণিমা আক্তার মীম, তামিমা জান্নাত তাম্মি ও সাফওয়াত আদিবা হিয়া; অর্থনীতি বিভাগ থেকে আবিদা সুলতানা জেবা, ইশরাত জাহান, মো. কাউছার আহাম্মেদ ও তাজনুর আক্তার; পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ থেকে ইব্রাহিম হুসাইন; খাদ্য প্রকৌশল ও চা প্রযুক্তি বিভাগ থেকে শরিফুল ইসলাম আরমান; সমাজকর্ম বিভাগ থেকে তৌহিদ আহমদ ও বিনায়েক অপু; সমাজবিজ্ঞান বিভাগ থেকে ইসমাইল হোসাইন; ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগ থেকে তমা দাশ, পায়েল আহমেদ, মো. সাব্বির হোসাইন, নুসরাত জাহান ও মোহাম্মদ সিয়াম; নৃবিজ্ঞান বিভাগ থেকে ফারহাত কবির নুহা; সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগ থেকে সম্বিতা মল্লিক; রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ থেকে মারজানা বেগম, আবেদা খাতুন চৌধুরী, শামছুন্নাহার, নুপুর খানম ও শারমিন ইয়াসমিন; জন প্রশাসন বিভাগ থেকে অপর্ণা রিয়া এবং জেনেটিক প্রকৌশল ও জৈবপ্রযুক্তি বিভাগ থেকে মাহজাবিন।

পাশাপাশি ক্যাম্পাস প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন অর্থনীতি বিভাগের আবিদা সুলতানা জেবা এবং ইংরেজি বিভাগের পূর্ণিমা আক্তার মীম।

শিক্ষার্থীদের এই অর্জন শাবিপ্রবিকে শুধু দেশে নয়, বৈশ্বিক পর্যায়েও মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করেছে। নির্বাচিত ফেলোরা ফেলোশিপ চলাকালে নিজ নিজ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবেশ, দারিদ্র্য বিমোচনসহ নানা খাতে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে কাজ করবেন। একইসঙ্গে তারা জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে কার্যকর অবদান রাখবেন।

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত