উখিয়ায় বিজিবি’র অভিযানে মালিকবিহীন ৪০,০০০ (চল্লিশ হাজার) পিস ইয়াবা উদ্ধার

স্টাফ রিপোর্টার
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
 ছবি: নিজস্ব প্রতিবেদক
ছবি: নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

 

২৫ জুন ২০২৬, কক্সবাজার

 

 

মোহাম্মদ হোসাইন, টেকনাফ,কক্সবাজার 

 

বিজিবি’র পক্ষ থেকে জানানো হয়, অদ্য ২৫ জুন ২০২৬ তারিখ আনুমানিক ১৯২০ ঘটিকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জীম্বংখালী বিওপি’র একটি বিশেষ টহল দল জীম্বংখালী বিওপি’র সীমান্ত পিলার বিআরএম-১৫ হতে আনুমানিক ০১ কিঃ মিঃ উত্তর দিকে, বিওপি হতে আনুমানিক ২.৫ কিঃ মিঃ পূর্ব দক্ষিণ দিকে এবং শূন্য লাইন হতে আনুমানিক ৪০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে শামসুরের ঘের নামক স্থানে অবস্থান করে। আনুমানিক ১৯৪০ ঘটিকায় সন্দেহভাজন ০১ জন ব্যক্তি মায়ানমার হতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আসতে দেখতে পেয়ে বিজিবি টহল দল তাকে চ্যালেঞ্জ করে। উক্ত সন্দেহভাজন ব্যক্তি বিজিবি’র উপস্থিতি টের পেয়ে তার হাতে থাকা ব্যাগটি ফেলে দৌঁড়ে গ্রামের দিকে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে উক্ত স্থানে তল্লাশি চালিয়ে ব্যাগের ভিতর হতে খাকী রঙ্গের প্যাকেটের নীল রঙ্গের বায়ুরোধী ০৪ কাট অথ্যার্ৎ ৪০,০০০ (চল্লিশ হাজার) পিস ইয়াবা উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। তবে উক্ত এলাকায় দীর্ঘ তল্লাশি করা সত্ত্বেও অন্য কোনো অবৈধ সামগ্রী পাওয়া যায়নি।

 

উখিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “মাদক চোরাকারবারীদের শনাক্ত করে গ্রেফতার করার জন্য গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। 

 

তিনি আরও জানান, “বিজিবি শুধু সীমান্ত পাহারায় নয়, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধেও সব সময় কঠোর অবস্থান নিয়ে কাজ করছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

 

উল্লেখ্য, কক্সবাজার রিজিয়নের রামু সেক্টরের অধীনস্থ উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সীমান্ত সুরক্ষা, মাদক দমন ও অবৈধ চোরাচালান প্রতিরোধে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করে আসছে।

বিষয়:

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত