বাজেটে তিনটি বিষয় গুরুত্ব না দিলে অর্থনীতি পুনরুদ্ধার সম্ভব নয় : বিকেএমইএ সভাপতি

জ্বালানি সংকট, ঋণের উচ্চসুদ এবং ব্যবসাবান্ধব নয় এমন রাজস্ব কাঠামো-বর্তমানে এই তিনটি ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রধান অন্তরায়। আগামী বাজেটে এসব বিষয়ে সরকারের গুরুত্ব দেওয়া উচিত। তা না হলে অর্থনীতি পুনরুদ্ধার সম্ভব নয় বলে মনে করেন বাংলাদেশ নিটপণ্য প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিকেএমইএ) সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম। সম্প্রতি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাত কারে তিনি এসব কথা বলেছেন। ওই সাক্ষাতকারে বাজেট নিয়ে বিকেএমইএ সভাপতি তার প্রত্যাশার কথা বলতে গিয়ে বলেন, নতুন সরকার উত্তরাধিকারসূত্রে একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি পেয়েছে। তাই বাজেটে অর্থনীতির পুনরুদ্ধারকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। অতীতে বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল তখন অর্থনীতি ভালো ছিল এবং ব্যবসা-বাণিজ্যবান্ধব বাজেট হয়েছে। আগামী বাজেটও বিনিয়োগ এবং ব্যবসাবান্ধব হবে বলে আশা করছি। বাজেটের আকার এবং অর্থনৈতিক বাস্তবতা ও যৌক্তিকতা তুলে ধরে তিনি বলেন, বাজেটের আকার একটু বেশিই বড় হচ্ছে বলে মনে হয়। এত বড় বাজেট না দিয়ে বাস্তবায়নযোগ্য বাজেট দিলে সেটা দেশ ও অর্থনীতির জন্য ভালো হবে। তবে বড় বাজেটে সুবিধা-অসুবিধা দুটোই আছে। অনেক মানুষকে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় আনা যায়। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, অবকাঠামো উন্নয়নে বরাদ্দ দেওয়া যায়। আর অসুবিধা হচ্ছে, বাজেট বাস্তবায়ন করতে না পারলে অর্থনীতিতে ভারসাম্যহীনতা তৈরি হয়। যেটা আমরা অতীতেও দেখেছি। সেই ভারসাম্যহীনতার ফল এখন ভোগ করছে দেশের মানুষ। বাজেটে রাজস্বের লক্ষ্যমাত্রা ৬লাখ কোটি নির্ধারণে ব্যবসা-বাণিজ্যে কোনো প্রভাব ফেলবে কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, বাজেটের আকার অনুযায়ী অঙ্কের হিসাবে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা হয়তো ঠিকই আছে। এটা কতটুকু অর্জনযোগ্য সেটা সময়ই বলে দেবে। তবে এত বিশাল লক্ষ্যমাত্রার কারণে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা হয়রানির শিকার হবেন, এটা নিশ্চিত। কারণ অতীতে দেখা গেছে, লক্ষ্যমাত্রা বাড়ানো হলেও এনবিআর করজাল বাড়াতে পারেনি। তাই যারা ট্যাক্স দেয়, এনবিআর শুধু তাদের ওপরে আরও বোঝা চাপিয়েছে। ব্যবসা হোক বা না হোক, এনবিআরের লোকজন ট্যাক্স নিতে হাজির হয়ে যায়। উচ্চ লক্ষ্যমাত্রার কারণে রাজস্ব ব্যবস্থা যেখানে ব্যবসাবান্ধব হওয়ার কথা, সেখানে এনবিআর শোষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়। এই মানসিকতার কারণে অনেক প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে। রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের আগে এনবিআরের সক্ষমতা বিবেচনায় নেওয়া উচিত। সরকার অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে প্রায় ১ লাখ কোটি টাকার বেশি ঋণ নেওয়ার যে পরিকল্পনা করছেন এতে করে বেসরকারি খাত গুলো ঋণপ্রাপ্তিতে বাধাগ্রস্ত হবে কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, সরকার ব্যাংক থেকে ঋণ নিলে খুব বেশি সমস্যা হবে না। কারণ উচ্চসুদের কারণে বেসরকারি খাতে ঋণের চাহিদা নেই বললেই চলে। ১৫-১৬ শতাংশ সুদ দিয়ে কোনো ব্যবসা টিকিয়ে রাখা সম্ভব নয়।...

$post['title']

কেকেবিএইউতে পবিত্র ঈদ-ই মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন

$post['title']

বুটেক্সে ইন্টার্নশিপের অপ্রতুল বরাদ্দে অসন্তুষ্ট শিক্ষার্থীরা

$post['title']

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নামে ভুয়া বিবৃতি

$post['title']

জাতিসংঘ মিলেনিয়াম ফেলোশিপ পেলেন শাবিপ্রবির ২৬ শিক্ষার্থী

$post['title']

নোবিপ্রবিতে জুলাই স্মৃতি আন্তঃঅনুষদ ফুটবল প্রতিযোগিতা