প্রকাশ : ... | ... | ...

ফতুল্লার শুভ নামক যুবককে অপহরণ করে হত্যার সাথে জড়িত অন্যতম আসামি লাল শুভ'কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১১।


সংযুক্ত ছবি

| ছবি: সংগৃহীত।

নিজস্ব সংবাদদাতা এজাহার সূত্রে জানা, ভিকটিম শুভ (২১) এসির মেকার হিসেবে কাজ করত। অনুমান-৭/৮ মাস পূর্ব হতে ভিকটিম শুভের সাথে এলাকার কিছু বখাটেদের সাথে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে শত্রুতা চলে আসছিল। অনুমান- ১৫/২০ দিন পূর্বে এজাহারনামীয় ১নং আসামি রানার সহিত শুভর তর্ক বিতর্ক হয়েছিল। এর পর হতে শুভর প্রতি রানা শত্রুতা পোষন করে আসছিল। তারই ধারাবাহিকতায় রানা ও তাহার লোকজন শুভকে বিভিন্ন সময় জীবন নাশের ভয়-ভীতি ও হুমকি দিয়ে আসছিল। গত ইং-২৯/০৩/২০২৬ তারিখ বিকাল অনুমান-০৪.০০ ঘটিকার সময় শুভ সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন ঢাকেশ্বরীস্থ তার শ্বশুর বাড়ীতে যায়। সন্ধ্যা অনুমান-০৫.৩০ ঘটিকার সময় গ্রেফতারকৃত আসামি লাল শুভ (২৪) ভিকটিম শুভকে ফোন করে পূর্ব ইসদাইর রেল লাইন আসতে বলে। তখন সে তার শ্বশুর বাড়ী হইতে পূর্ব ইসদাইর রেল লাইনের উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে সন্ধ্যা অনুমান-০৬.০০ ঘটিকার সময় ফতুল্লা থানাধীন ইসদাইর রেল লাইন সংলগ্ন ২নং আসামি কাশেম এর ভাঙ্গারি দোকানের সামনে পৌছাইলে গ্রেফতারকৃত আসামি লাল শুভ সহ অন্যান্য আসামি মিলে ভিকটিমকে এলোপাতাড়ী মারপিট করতে থাকে। এক পর্যায়ে ভিকটিম আঘাত প্রাপ্ত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে আসামিরা সবাই মিলে একটি অটো গাড়িতে উঠিয়ে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। এরপর থেকে ভিকটিমের পরিবার শুভর আর কোন খোঁজ খবর পাচ্ছিল না। গত ৩১ মার্চ রূপগঞ্জের কাঞ্চন ব্রিজের নিচ থেকে অজ্ঞাত পরিচয় হিসেবে একটি মরদেহটি উদ্ধার করেছিল পুলিশ। পরবর্তীতে পরিবারের সদস্যরা সেটি শুভর লাশ বলে শনাক্ত করে। নিখোঁজের সাত দিন পর অবশেষে শুভর নিথর দেহ পাওয়া যায়। পরবর্তীতে ঘটনাটি বিভিন্ন টিভি এবং প্রিন্ট মিডিয়ায় প্রচার হলে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে। অত্র হত্যাকাণ্ড হওয়ার পর পরই ঘটনা সাথে জড়িত আসামিদের গ্রেফতারের জন্যে র‍্যাব-১১ গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। এরই ধারাবাহিকতায় নিজস্ব গোয়েন্দা নজরদারি ও সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে র‍্যাব-১১, সিপিএসসি এবং র‍্যাব-১৩, রংপুরের এর একটি যৌথ আভিযানিক দল অদ্য ০৬/০৪/২৬ তারিখ রাত ০৩: ৩০ ঘটিকার সময় নীলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জ থানাধীন গাড়াগ্রাম জুম্মার পাড় এলাকা হতে অত্র মামলার এজাহারনামীয় আসামি মোঃ আল আমিন ইসলাম @ লাল শুভ (২৪), পিতা-মোঃ খলিল হোসেন, মাতা- শিল্পী, সাং মাসদাইর, থানা-ফতুয়া, জেলা-নারায়ণগঞ্জকেঞ্জকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রমের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।