প্রকাশ : ... | ... | ...

দূর্নীতিতে শীর্ষে নাসিক সাবেক সহকারী সচিব হান্নান, তার বিরুদ্ধে অভিযোগের সুষ্ঠ তদন্ত করে তদন্ত কমিটিকে ৭ কার্যদিবসে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ প্রশাসকের।


সংযুক্ত ছবি

| ছবি: দূর্নীতিতে শীর্ষে নাসিক সাবেক সহকারী সচিব হান্নান, তার বিরুদ্ধে অভিযোগের সুষ্ঠ তদন্ত করে তদন্ত কমিটিকে ৭ কার্যদিবসে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ প্রশাসকের।

স্টাফ রিপোর্টারঃ নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রবীণ কর্মচারী মো: আতিকুল ইসলাম (টিকাদানকারী) প্রশাসক মহোদয়ের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, সাবেক সহকারী সচিব (ভারপ্রাপ্ত) সিদ্ধিরগঞ্জ পৌরসভার: হান্নান মিয়া সীমাহীন দুর্নীতির মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। মো: আতিকুল ইসলাম অভিযোগে জানিয়েছে, সিদ্ধিরগঞ্জ আঞ্চলিক অফিসে জোন প্রধান থাকাকালীন সময়ে হান্নান মিয়ার দুর্নীতির তথ্য তিনি লিখিত এবং মৌখিকভাবে অফিস কর্তৃপক্ষের কাছে জানিয়েছিলেন। তিনি তিনটি আবেদন জমা দিয়েছেন (আবেদন নং-১, স্মারক নং-৭১৪, ১১/১০/২০১৮; আবেদন নং-২, স্মারক নং-৭২৯, ২২/১০/২০১৮; আবেদন নং-৩, স্মারক নং-৬৮৭, ১৪/১১/২০১৮)। তদন্ত কমিটি প্রমাণ যাচাই না করে, তার দেয়া তথ্য গোপন রেখেছে। অভিযোগ দেয়ার তিন বছর পর, স্মারক নং-৪৬,১৬,০০০০,০০৪,১৮,১৪৩,১৮,৪০২ (১৮/১০/২০২১) তারিখে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়। মো: আতিকুল ইসলাম জবাবে, স্মারক নং-৪২৩, ২৫/১০/২০২১ তারিখে দুর্নীতিবাজদের পুলিশ রিমান্ডের আবেদন করেছেন এবং সমস্ত প্রমাণ ও ভিডিও ফুটেজ দেখার সুযোগ চেয়েছেন। তবে এক বছরেরও বেশি সময় পার হলেও কোনো কার্যকর উত্তর না পেয়ে তিনি ১৫/১১/২০২২ তারিখে (স্মারক নং-১৯৪৫৪) মাননীয় মেয়রের হস্তক্ষেপে বিচার চেয়েছেন। মেয়র অপসারিত হওয়ার পর, ৫/১/২০২৫ তারিখে (স্মারক নং-৬৯) পুনরায় প্রশাসক বরাবর আবেদন দিলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। মো: আতিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, জনাব হান্নান মিয়া সহ মোট চার জন ২০১২-২০১৩ অর্থ বছরে ছাপানো ভুয়া রশিদ এবং রশিদের মাধ্যমে কর্পোরেশনের ট্যাক্সের কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। তিনি লিখিতভাবে অফিস কর্তৃপক্ষকে এই বিষয় জানিয়েছিলেন। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, হান্নান মিয়ার দুর্নীতির তদন্তের দায়িত্বেরই কমিটি প্রধান হিসেবে তাকে নিযুক্ত করা হয়েছিল (স্মারক নং-৪৬,১৬,০০০০,০০৪.৩৫.০৪৪.২০/৫০৩), যা ন্যায্য বিচার ব্যাহত করেছে। এছাড়াও, রাজনৈতিক যুক্তি ছাড়া মিথ্যা বিভাগীয় মামলা মোকদ্দমা দিয়ে তার বেতন স্কেল কমানো হয়েছে এবং পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে, পক্ষান্তরে দুর্নীতির সাথে যুক্ত কর্মচারীদের পুরস্কৃত করা হয়েছে। বর্তমানে হান্নান মিয়ার দায়িত্ব ওয়াশা বিভাগে। গোপন সূত্রে জানা গেছে, সে প্রতিটি ওয়ার্ড ভিত্তিক লোক ভাগ করে ওয়াশা বিভাগের দুর্নীতির ব্যবসা চালাচ্ছেন। মো: আতিকুল ইসলাম আশা প্রকাশ করেছেন, প্রশাসক মহোদয় স্বশরীরে হাজির হয়ে সমস্ত প্রমাণ যাচাই এবং ন্যায্য বিচার করবেন। প্রসঙ্গত, প্রশাসক মহোদয় নির্দেশ দিয়েছেন, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত কমিটিকে ৭ কার্যদিবসের মধ্যে সুষ্ঠু তদন্ত সম্পন্ন করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার।