প্রকাশ : ... | ... | ...

খাস জায়গায় দোকান ঘর তুলতে চান শিক্ষক, বাঁধা দেয়ার কাল হলো বিএনপি নেতার


সংযুক্ত ছবি

| ছবি: নিজস্ব প্রতিবেদক

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি :সুনামগঞ্জ। কোনো বৈধ কাগজ না থাকায় গত তিন থেকে চার বছর পূর্বে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলা প্রশাসনের আনোয়ারপুর বাজারে দোকান কোঠা উচ্ছেদ করে। সেই খাস জায়গায় এক শিক্ষক প্রশাসনের কোনো অনুমতি ও কোনো বৈধ কাগজ না নিয়ে দোকান ঘর তুলা চেষ্টা করলেই বাঁধে বিপত্তি। দোকান কোঠা তৈরিতে বাধাঁয় দেয় বিএনপি নেতা ও বাজার কমিটির সভাপতি এতেই আলোচনায় আসে বিষয়টি। অভিযোগ উঠেছে উপজেলার বালিজুড়ী ইউনিয়নের আনোয়ারপুর বাজারে ( ব্রীজ ঘেষে) দোকান ঘর তুলতে না পারায় অভিযোগ তুলেন শিক্ষক তার কাছে চাঁদা চাওয়া হয়েছে এবং লাঞ্ছিত করা হয়েছে। শনিবার সকালে উপজেলার বালিজুড়ী ইউনিয়নের আনোয়ারপুর এলাকায় এমনি ঘটনা ঘটেছে। ওই শিক্ষকের নাম মোক্তার হোসেন। তিনি সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার বালিজুড়ী ইউনিয়নের পাতারী তিওর জালাল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসাবে কর্মরত আছেন এবং ওই এলাকার বাসিন্দাও। তিনি দাবী করেন ও অভিযোগ তুলেন আ,লীগ সরকারের সময় দোকান ঘর উচ্ছেদ করা হয়। এখন দোকান ঘর তুলতে গেলে চাঁদা দাবি করেন এবং না দেয়ায় মারধর করেছেন উপজেলা বালিজুড়ী ইউনিয়নের আনোয়ারপুর (নোয়াহাট) গ্রামের বাসিন্দা বিএনপি নেতা ও আনোয়ারপুর বাজার কমিটির সভাপতি রতি মিয়া। তবে সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বিএনপি নেতা ও আনোয়ারপুর বাজার কমিটির সভাপতি রতি মিয়া জানান,বিগত দিনে বৈধ কোনো দলিল না থাকায় তৎকালীন সরকারের নির্দেশে তাহিরপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি বাজারে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন এবং দোকান কোটা উচ্ছেদ করে যায়গা খালি করে দেন। এরপর থেকে কেউই কোনো দোকান ঘর তৈরি করতে সাহস করে নি। সম্প্রতি ওই শিক্ষক দোকান ঘর তৈরি করতে যায়। এনিয়ে কথা হয় আমাদের মধ্যে ঘর তুলে চান তিনি। আমি বাজার কমিটির সভাপতি হিসাবে বলেছি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এসিল্যান্ডের মহোদয় কাছ থেকে অনুমতি নিয়েছেন বা কোনো অনুমতির কাগজ আছে কি না ঘর তুলার জন্য। এতে তিনি নেই বলে জানিয়েছেন। তখন আমি বলেছি যেহেতু কোনো কাগজ নেই তাহলে ঘর তুলতে পারবেন না আর দোকান ঘর তুলতে চাইলে অনুমতি নিয়ে আসেন বলাটাই আমার অপরাধ হয়েছে। এখন আমার বিরুদ্ধে মারধর ও চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলেছে। দোকান ঘর তুলতে দিলে এমনটা হতো না। এই বিষয় তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান মানিক জানান,উচ্ছেদ করা খাস যায়গায় ঘর তুলার বিষয়ে কাউকে অনুমতি দেয়া হয়নি। এই বিষয়ে খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।