| ছবি: সংগৃহীত।
নিজস্ব সংবাদদাতা এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম ১৪ বছরের নাবালিকা। টিকটক আইডি মাধ্যমে গ্রেফতারকৃত ১নং আসামি রিফাতের সহিত ভিকটিমের পরিচয় হয়। সে সুবাদে বিভিন্ন সময় রিফাতের সহিত ভিকটিমের কথাবার্তা হত। একপর্যায়ে রিফাতের সহিত ভিকটিমের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তখন রিফাত ভিকটিমের সহিত দেখা করবে বলে তাকে বন্দর থানাধীন বন্দর ঘাটে আসার জন্য বললে ভিকটিম জানায় তার কাছে গাড়ী ভাড়ার টাকা নাই। তখন রিফাত ভিকটিমকে ৫০০ টাকা বিকাশ করে পাঠায়। টাকা পাওয়ার পর গত ইং-২৯/০৩/২০২৬ তারিখ সকাল অনুমান ০৬.০০ ঘটিকার সময় বাড়ি হতে কাউকে কিছু না বলে বের হয়ে চাঁদপুর সদর থানাধীন চাঁদপুর বড় ষ্টেশন লঞ্চঘাট হতে নারায়ণগঞ্জ সদর থানাধীন নারায়ণগঞ্জ লঞ্চঘাটে এসে নামলে রিফাত ভিকটিমকে ফোন করে বন্দর থানাধীন বন্দর ঘাটে আসার জন্য বলে। একই তারিখ দুপুর অনুমান ০১.০০ ঘটিকার সময় বন্দর থানাধীন বন্দর ঘাট হইতে রিফাত রিসিভ করে মিশুকযোগে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে ঘোরাফেরা করে বিকাল অনুমান ০৩.৩০ ঘটিকার সময় ভিকটিমকে নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানাধীন নবীগঞ্জ কদমরসুল নামক নির্জনস্থানে অনুমান ০৪ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট দেওয়াল নির্মানকৃত জমির মধ্যে নিয়া যায়। ভিকটিম সেখানে গিয়ে গ্রেফতারকৃত ২ নং আসামি রোমানকে দেখতে পায়। পরবর্তীতে রিফাত এবং রোমান দুইজন মিলে ভিকটিমকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ধাক্কা দিয়া মাটিতে ফেলে ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক পালাক্রমে ধর্ষন করে। ধর্ষন শেষে আসামিদ্বয় ঘটনাস্থলে নেশাদ্রব্য সেবন করে ভিকটিমের সহিত উদ্যত আচরন শুরু করে এবং একটা পর্যায়ে আসামিদ্বয় ঘটনাস্থল হইতে কৌশলে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে ঐ দুইজনকে আসামি করে বন্দর থানায় একটি গণধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। উক্ত ঘটনাটি ঘটার পরপরই বিভিন্ন টিভি এবং প্রিন্ট মিডিয়ায় প্রচারের মাধ্যমে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে। অত্র মামলাটি রুজু হওয়ার পর, মামলার এজাহারনামীয় ০২ জন আসামিদের গ্রেফতারের জন্যে র্যাব-১১, সিপিএসসি, নারায়ণগঞ্জ গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। এরই ধারাবাহিকতায় নিজস্ব গোয়েন্দা নজরদারি ও সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিএসসি, নারায়ণগঞ্জ এর একটি আভিযানিক দল অদ্য ০৩ এপ্রিল, ২০২৬ ইং তারিখ সন্ধ্যা ৬:০০ ঘটিকার ঘটিকার সময় সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন আজিবপুর মাজার রোড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে অত্র মামলার এজাহারনামীয় ০১ নং আসামি মোঃ রিফাত (২১) পিতা-গাজী মিয়া, সাং-কদম রসুল ওরফে রসুলবাগ, জি.এ রোড এবং ২ নং আসামি মোঃ নোমান (২১) পিতা জাহিদ হোসেন, সাং-বাগবাড়ী উভয় থানা-বন্দর, জেলা-নারায়ণগঞ্জদ্বয় গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রমের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।